{{-- Bangla Dhadha Collection (500 Items) for Laravel + TinyMCE / Tailwind --}}
মাটিতে জন্ম তার, মাথায় তার পানি, বিনে বাতাসে নড়ে চড়ে, নাম কি তার জানি?
এক গাছে দুই ফল, একটা মিষ্টি, একটা ঝাল!
কাঁচা থাকতে সবুজ বরন, পাকলে হয় লাল, মুখে দিলে জল আসে, ঝালে বেহাল!
চলতে চলতে থেমে যায়, কান পেঁচালে আবার ধায়।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল ছাড়া চলে না, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সবার ঘরে শোভা পায়।
পা আছে কিন্তু চলতে পারে না, পিঠ আছে কিন্তু শুতে পারে না।
মাথা আছে চুল নেই, চোখ আছে দৃষ্টি নেই, কাটলে রক্ত বের হয় না, তবে কান্দে মানুষ ভাই!
ছোট্ট একটি ঘর, তাতে অনেকগুলো বর, এক একসাথে জলে উঠে, একটু পেলেই ঘষ।
উপরে চামড়া, ভেতরে নদী, বলতে পারলে বুদ্ধিমান বরই!
যত টানি ততই ছোট হয়, জিনিসটি কি বলতে পারো?
দেখা যায় কিন্তু ধরা যায় না, হাজার চেষ্টা করলেও ছোঁয়া যায় না।
লাথি মারলে লাফিয়ে ওঠে, পেট পিটলেও কাঁদে না।
কালো ছাগল নদী পার হয়, কিন্তু পা ভেজে না।
পেকমেক করে চলে, বিলে বিলে চড়ে, জলে গিয়ে সাঁতার কেটে ডাঙ্গায় ডিম পাড়ে।
বাপের নাম বলতে পারো, মায়ের নাম নেই, ছেলে জন্ম নিয়ে দুনিয়া কাঁদায়!
এক গাছেতে জন্ম তাদের, হাজার হাজার ভাই, আলো দিলে মরে তারা, আঁধারে সুখ পায়।
পা নেই কিন্তু হাঁটতে পারে, মুখ নেই কিন্তু কথা বলতে পারে।
লাল ঘর, কালো দরজা, ভেতরে থাকে ছোট ছোট বাচ্চা।
পাঁচ ভাই এক সাথে থাকে, কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করে না।
এক বুড়ির এক চোখ, সূতা দিয়ে বোনে পোখ।
হাড় নেই, মাংস নেই, গায়ে তার ত্বক, দিনে ঘুমায়, রাতে তার খক খক।
আকাশ থেকে পড়ল গুঁড়ি, কাটার জায়গা নেই, বাঁধার জায়গা আছে!
এক বুড়ির আশি পেট, ভাত খায় শেট শেট।
কাটলে বাড়ে, জুড়লে কমে, জিনিসটা কী বল তো ভেবে?
মাথার ওপর ঘোরে সারাদিন, বাতাস দেয় কিন্তু দেয় না ঋণ।
এক ঘরেতে জন্ম তাদের, এক ঘরেতেই বাস, এক ঘষাতেই জীবন শেষ, জ্যান্ত হয়ে ছাই!
পা নেই কিন্তু চলে খুব, কান নেই কিন্তু শোনে সব, মুখ নেই কিন্তু গায় গান।
সোজা দেখলে মানুষ হাসে, বাঁকা দেখলে ভয় পায়!
জল দিলে মরে যায়, বাতাস দিলে বাঁচে, লাল লাল দেখতে সে, কার ঘরেতে আছে?
ছোট্ট এক থালায় কতগুলো তারা, দিন হলে পালায়, রাত হলে খাড়া!
লাল জামা গায়ে দিয়ে গাছে ঝুলে থাকে, কামড় দিলে জিভেতে খুব জ্বালা ধরে তাকে।
সবাই দেখে, কেউ ছোঁয় না, না দেখে কেউ ঘুমায় না।
উচ্চ ডালে বসে থাকে, পা দুটি তার নাই, রক্ত চুষে বেঁচে থাকে, জীব নয় সে ভাই!
সকালবেলা চার পায়ে চলে, দুপুরবেলা দুই পায়ে চলে, আর সন্ধ্যাবেলা তিন পায়ে চলে—বল তো কে?
হাতের কাছেই আছে সে, দেখা তো যায় না, স্পর্শ ছাড়া তাকে চেনা যায় না।
দিন-রাত হেঁটে চলে, নিজের কোনো ঘর নেই, সময় সবাইকে বলে দেয়, কোনো ক্লান্তি নেই।
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে খায়, শেষের অক্ষর কেটে দিলে গাছে ঝুলে রয়।
মাথার ওপর আকাশ আছে, পায়ের নিচে মাটি, চোখ বুজলে দেখা যায়, কোনটা সত্যি কোনটা খাঁটি?
গাছ আছে তার পাতা নেই, নদী আছে তার জল নেই, শহর আছে তার মানুষ নেই।
লাঠি মারলে ভাঙবে না, জল ঢাললে ভিজবে না, তরবারি দিয়ে কাটা যায় না—জিনিসটি কী?
হাত আছে, পা আছে, মাথা তার নাই, মানুষ হয়েও সে তো কথা বলে নাই।
সকালে জন্ম তার, দুপুরে জোয়ান, সন্ধ্যায় বৃদ্ধ হয়ে হারায় তার প্রাণ।
সাদা জমিনে কালো বীজ, হাত দিয়ে বোনে, মুখ দিয়ে পড়ে।
লাফ দিয়ে চলে সে, হাঁটে না তো মোটে, থলেতে ছানা নিয়ে বনবাদাড়ে ছোটে।
এক বুড়ির বারো জামাই, বারো জামাইয়ের ৩০টি করে সন্তান।
বাপের ঘরে জন্ম তার, মায়ের ঘরে বাস, বাপের ঘরে ফিরলে পরে কাটায় সর্বনাশ!
চার কোণ থালা তার, পানি দিলে ভরে না, বাতাস দিলে ওড়ে না।
লাল পোশাক পরে সে, মাথায় বিষের কাঁটা, গায়ে দিলে হাত তার, জ্বলে ওঠে চামড়া।
পাখা আছে পাখি নয়, গায়ে তার আলো, রাতের আঁধারে তাকে দেখতে খুব ভালো।
সবাই দেখে কিন্তু কেউ ধরে না, হাজার কাটলেও সে তো মোটে মরে না।
উড়তে পারে কিন্তু পাখি নয়, কামড় দিলে খুব বিষ হয়।
কাঁচা হলে চিবিয়ে খায়, পাকলে ফেলে দেয়!
কোন জিনিস কাটলে বড় হয়, আর জুড়লে ছোট হয়?
চার পা আছে কিন্তু হাঁটতে পারে না, খাবার দেয় কিন্তু নিজে খায় না।
এক গাছেতে অনেক ডাল, ডালগুলোতে ঝুলছে লাল লাল গাল।
কালো গায়ে লাল টিপ, রাতে জ্বলে যেমন দীপ।
তিন অক্ষরের নাম তার, বনেতে তার বাস, মাঝের অক্ষর কেটে দিলে জলে করে সাঁতার।
কান আছে শোনে না, চোখ আছে দেখে না, মুখ আছে বলে না।
মাটির নিচে জন্ম তার, সব তরকারির রাজ, ছাল তুললে পাওয়া যায় না কোনো লাজ।
এক থালা সুপারি, গুনতে পারে কোন ব্যাপারী?
সাদা চামড়া, ভেতরের জিনিস লাল, খেলে পরে মুখ হয় লাল টকটক।
এক বুড়ির অনেক চোখ, তবু বুড়ি অন্ধ!
শুকনো জায়গায় থাকে না, জলে গেলে বাঁচে না।
কোন জিনিস যত পরিষ্কার করবে, ততই কালো হবে?
আকাশে থাকে কিন্তু পাখি নয়, লেজ আছে কিন্তু পশু নয়।
ছোট্ট ঘরে থাকে সে, মাথা ঘষলেই জ্বলে সে।
জল ছাড়া চলা নাই, জল পেলেই মরণ তার ভাই।
বাপ ডেকে পাঠায়, মা আটকে রাখে, ছেলে এসে সব ভেঙে ফেলে।
এক বোতলে দুই রঙ, নাড়া দিলেও মেশে না।
পাখা আছে ওড়ে না, চললে বাতাস ছড়ায় না।
এক গাছে বারো ডাল, প্রতিটি ডালে ৩০টি করে পাতা, অর্ধেক সাদা অর্ধেক কালো।
হাত দিলে গুটিয়ে যায়, না ছুঁলে মেলে ধরে ডানা।
পা নেই কিন্তু ছুটতে পারে, চোখ নেই কিন্তু কাঁদতে পারে।
কোন ফল কাটলে রক্ত বের হয় না, কিন্তু নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠে?
আকাশ থেকে পড়ে কিন্তু ভাঙে না, জলে পড়লে গলে যায়।
গাছ আছে পাতা নেই, শাখা আছে ফল নেই।
মায়ের আগে সন্তানের জন্ম, বল তো জিনিসটা কী?
কোন জিনিস ভাঙলে সবাই হাততালি দেয়?
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে চেনে, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সুস্বাদু এক ফল।
এক বুড়ির আশি কোল, পেট ফুটো তার গোল গোল।
পায়ের নিচে থাকে সে, চললে সাথে যায়, থামলে পরে সে-ও থামে, ছোঁয়া তাকে না যায়।
কখনও ছোট, কখনও বড়, আলো পেলেই হয় তার জন্ম।
মাথা কেটে দিলে কান কাঁদে, কান কেটে দিলে চোখ কাঁদে।
কালো দেখতে কিন্তু কয়লা নয়, রক্ত চোষে কিন্তু জোক নয়।
এক অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে দেখতে চায়।
কাটলে বাড়ে, না কাটলে ছোট থাকে।
ঘরে থাকে কিন্তু জায়গা নেয় না।
মাটির ওপরে বাড়ি তার, মাটির নিচে ডাল, না দেখলে চিনবে কেমনে সে তো নয় কাল!
জল খেলে মরে যায়, হাওয়া খেলে বাঁচে।
সবাই ঘুমিয়ে পড়লে কে জেগে থাকে?
দুই অক্ষরের নাম তার, গাছে ঝুলন্ত রয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে জল হয়ে যায়।
হাত আছে আঙ্গুল নাই, গায়ে আছে প্রাণ নাই।
এক বুড়ির পেটেতে কাঁটা, খেলে তাকে জিভে দেয় চ্যাটা।
সকালবেলা উঠে সবাই যাকে খোঁজে, কাজ শেষে তাকে সবাই একপাশে রাখে।
কোন বস্তু কেনা হয় খাওয়ার জন্য, কিন্তু কেউ তা খায় না?
দেখা যায় না ছোঁয়া যায় না, কিন্তু তাকে ছাড়া বাঁছা যায় না।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল খেলে মরে যায়, বাতাস পেলে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
এক ঘরেতে বাস করে বহু ভাইবোন, মাথায় তাদের আগুন ধরে মরে সর্বজন।
লেজ দিয়ে জল খায়, মাথা দিয়ে আলো দেয়।
কোন জিনিস যত দেবে, ততই বাড়বে?
মাটিতে জন্ম তার, মাথায় তার পানি, বিনে বাতাসে নড়ে চড়ে, নাম কি তার জানি?
এক গাছে দুই ফল, একটা মিষ্টি, একটা ঝাল!
কাঁচা থাকতে সবুজ বরন, পাকলে হয় লাল, মুখে দিলে জল আসে, ঝালে বেহাল!
চলতে চলতে থেমে যায়, কান পেঁচালে আবার ধায়।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল ছাড়া চলে না, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সবার ঘরে শোভা পায়।
পা আছে কিন্তু চলতে পারে না, পিঠ আছে কিন্তু শুতে পারে না।
মাথা আছে চুল নেই, চোখ আছে দৃষ্টি নেই, কাটলে রক্ত বের হয় না, তবে কান্দে মানুষ ভাই!
ছোট্ট একটি ঘর, তাতে অনেকগুলো বর, এক একসাথে জলে উঠে, একটু পেলেই ঘষ।
উপরে চামড়া, ভেতরে নদী, বলতে পারলে বুদ্ধিমান বরই!
যত টানি ততই ছোট হয়, জিনিসটি কি বলতে পারো?
দেখা যায় কিন্তু ধরা যায় না, হাজার চেষ্টা করলেও ছোঁয়া যায় না।
লাথি মারলে লাফিয়ে ওঠে, পেট পিটলেও কাঁদে না।
কালো ছাগল নদী পার হয়, কিন্তু পা ভেজে না।
পেকমেক করে চলে, বিলে বিলে চড়ে, জলে গিয়ে সাঁতার কেটে ডাঙ্গায় ডিম পাড়ে।
বাপের নাম বলতে পারো, মায়ের নাম নেই, ছেলে জন্ম নিয়ে দুনিয়া কাঁদায়!
এক গাছেতে জন্ম তাদের, হাজার হাজার ভাই, আলো দিলে মরে তারা, আঁধারে সুখ পায়।
পা নেই কিন্তু হাঁটতে পারে, মুখ নেই কিন্তু কথা বলতে পারে।
লাল ঘর, কালো দরজা, ভেতরে থাকে ছোট ছোট বাচ্চা।
পাঁচ ভাই এক সাথে থাকে, কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করে না।
এক বুড়ির এক চোখ, সূতা দিয়ে বোনে পোখ।
হাড় নেই, মাংস নেই, গায়ে তার ত্বক, দিনে ঘুমায়, রাতে তার খক খক।
আকাশ থেকে পড়ল গুঁড়ি, কাটার জায়গা নেই, বাঁধার জায়গা আছে!
এক বুড়ির আশি পেট, ভাত খায় শেট শেট।
কাটলে বাড়ে, জুড়লে কমে, জিনিসটা কী বল তো ভেবে?
মাথার ওপর ঘোরে সারাদিন, বাতাস দেয় কিন্তু দেয় না ঋণ।
এক ঘরেতে জন্ম তাদের, এক ঘরেতেই বাস, এক ঘষাতেই জীবন শেষ, জ্যান্ত হয়ে ছাই!
পা নেই কিন্তু চলে খুব, কান নেই কিন্তু শোনে সব, মুখ নেই কিন্তু গায় গান।
সোজা দেখলে মানুষ হাসে, বাঁকা দেখলে ভয় পায়!
জল দিলে মরে যায়, বাতাস দিলে বাঁচে, লাল লাল দেখতে সে, কার ঘরেতে আছে?
ছোট্ট এক থালায় কতগুলো তারা, দিন হলে পালায়, রাত হলে খাড়া!
লাল জামা গায়ে দিয়ে গাছে ঝুলে থাকে, কামড় দিলে জিভেতে খুব জ্বালা ধরে তাকে।
সবাই দেখে, কেউ ছোঁয় না, না দেখে কেউ ঘুমায় না।
উচ্চ ডালে বসে থাকে, পা দুটি তার নাই, রক্ত চুষে বেঁচে থাকে, জীব নয় সে ভাই!
সকালবেলা চার পায়ে চলে, দুপুরবেলা দুই পায়ে চলে, আর সন্ধ্যাবেলা তিন পায়ে চলে—বল তো কে?
হাতের কাছেই আছে সে, দেখা তো যায় না, স্পর্শ ছাড়া তাকে চেনা যায় না।
দিন-রাত হেঁটে চলে, নিজের কোনো ঘর নেই, সময় সবাইকে বলে দেয়, কোনো ক্লান্তি নেই।
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে খায়, শেষের অক্ষর কেটে দিলে গাছে ঝুলে রয়।
মাথার ওপর আকাশ আছে, পায়ের নিচে মাটি, চোখ বুজলে দেখা যায়, কোনটা সত্যি কোনটা খাঁটি?
গাছ আছে তার পাতা নেই, নদী আছে তার জল নেই, শহর আছে তার মানুষ নেই।
লাঠি মারলে ভাঙবে না, জল ঢাললে ভিজবে না, তরবারি দিয়ে কাটা যায় না—জিনিসটি কী?
হাত আছে, পা আছে, মাথা তার নাই, মানুষ হয়েও সে তো কথা বলে নাই।
সকালে জন্ম তার, দুপুরে জোয়ান, সন্ধ্যায় বৃদ্ধ হয়ে হারায় তার প্রাণ।
সাদা জমিনে কালো বীজ, হাত দিয়ে বোনে, মুখ দিয়ে পড়ে।
লাফ দিয়ে চলে সে, হাঁটে না তো মোটে, থলেতে ছানা নিয়ে বনবাদাড়ে ছোটে।
এক বুড়ির বারো জামাই, বারো জামাইয়ের ৩০টি করে সন্তান।
বাপের ঘরে জন্ম তার, মায়ের ঘরে বাস, বাপের ঘরে ফিরলে পরে কাটায় সর্বনাশ!
চার কোণ থালা তার, পানি দিলে ভরে না, বাতাস দিলে ওড়ে না।
লাল পোশাক পরে সে, মাথায় বিষের কাঁটা, গায়ে দিলে হাত তার, জ্বলে ওঠে চামড়া।
পাখা আছে পাখি নয়, গায়ে তার আলো, রাতের আঁধারে তাকে দেখতে খুব ভালো।
সবাই দেখে কিন্তু কেউ ধরে না, হাজার কাটলেও সে তো মোটে মরে না।
উড়তে পারে কিন্তু পাখি নয়, কামড় দিলে খুব বিষ হয়।
কাঁচা হলে চিবিয়ে খায়, পাকলে ফেলে দেয়!
কোন জিনিস কাটলে বড় হয়, আর জুড়লে ছোট হয়?
চার পা আছে কিন্তু হাঁটতে পারে না, খাবার দেয় কিন্তু নিজে খায় না।
এক গাছেতে অনেক ডাল, ডালগুলোতে ঝুলছে লাল লাল গাল।
কালো গায়ে লাল টিপ, রাতে জ্বলে যেমন দীপ।
তিন অক্ষরের নাম তার, বনেতে তার বাস, মাঝের অক্ষর কেটে দিলে জলে করে সাঁতার।
কান আছে শোনে না, চোখ আছে দেখে না, মুখ আছে বলে না।
মাটির নিচে জন্ম তার, সব তরকারির রাজ, ছাল তুললে পাওয়া যায় না কোনো লাজ।
এক থালা সুপারি, গুনতে পারে কোন ব্যাপারী?
সাদা চামড়া, ভেতরের জিনিস লাল, খেলে পরে মুখ হয় লাল টকটক।
এক বুড়ির অনেক চোখ, তবু বুড়ি অন্ধ!
শুকনো জায়গায় থাকে না, জলে গেলে বাঁচে না।
কোন জিনিস যত পরিষ্কার করবে, ততই কালো হবে?
আকাশে থাকে কিন্তু পাখি নয়, লেজ আছে কিন্তু পশু নয়।
ছোট্ট ঘরে থাকে সে, মাথা ঘষলেই জ্বলে সে।
জল ছাড়া চলা নাই, জল পেলেই মরণ তার ভাই।
বাপ ডেকে পাঠায়, মা আটকে রাখে, ছেলে এসে সব ভেঙে ফেলে।
এক বোতলে দুই রঙ, নাড়া দিলেও মেশে না।
পাখা আছে ওড়ে না, চললে বাতাস ছড়ায় না।
এক গাছে বারো ডাল, প্রতিটি ডালে ৩০টি করে পাতা, অর্ধেক সাদা অর্ধেক কালো।
হাত দিলে গুটিয়ে যায়, না ছুঁলে মেলে ধরে ডানা।
পা নেই কিন্তু ছুটতে পারে, চোখ নেই কিন্তু কাঁদতে পারে।
কোন ফল কাটলে রক্ত বের হয় না, কিন্তু নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠে?
আকাশ থেকে পড়ে কিন্তু ভাঙে না, জলে পড়লে গলে যায়।
গাছ আছে পাতা নেই, শাখা আছে ফল নেই।
মায়ের আগে সন্তানের জন্ম, বল তো জিনিসটা কী?
কোন জিনিস ভাঙলে সবাই হাততালি দেয়?
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে চেনে, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সুস্বাদু এক ফল।
এক বুড়ির আশি কোল, পেট ফুটো তার গোল গোল।
পায়ের নিচে থাকে সে, চললে সাথে যায়, থামলে পরে সে-ও থামে, ছোঁয়া তাকে না যায়।
কখনও ছোট, কখনও বড়, আলো পেলেই হয় তার জন্ম।
মাথা কেটে দিলে কান কাঁদে, কান কেটে দিলে চোখ কাঁদে।
কালো দেখতে কিন্তু কয়লা নয়, রক্ত চোষে কিন্তু জোক নয়।
এক অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে দেখতে চায়।
কাটলে বাড়ে, না কাটলে ছোট থাকে।
ঘরে থাকে কিন্তু জায়গা নেয় না।
মাটির ওপরে বাড়ি তার, মাটির নিচে ডাল, না দেখলে চিনবে কেমনে সে তো নয় কাল!
জল খেলে মরে যায়, হাওয়া খেলে বাঁচে।
সবাই ঘুমিয়ে পড়লে কে জেগে থাকে?
দুই অক্ষরের নাম তার, গাছে ঝুলন্ত রয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে জল হয়ে যায়।
হাত আছে আঙ্গুল নাই, গায়ে আছে প্রাণ নাই।
এক বুড়ির পেটেতে কাঁটা, খেলে তাকে জিভে দেয় চ্যাটা।
সকালবেলা উঠে সবাই যাকে খোঁজে, কাজ শেষে তাকে সবাই একপাশে রাখে।
কোন বস্তু কেনা হয় খাওয়ার জন্য, কিন্তু কেউ তা খায় না?
দেখা যায় না ছোঁয়া যায় না, কিন্তু তাকে ছাড়া বাঁছা যায় না।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল খেলে মরে যায়, বাতাস পেলে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
এক ঘরেতে বাস করে বহু ভাইবোন, মাথায় তাদের আগুন ধরে মরে সর্বজন।
লেজ দিয়ে জল খায়, মাথা দিয়ে আলো দেয়।
কোন জিনিস যত দেবে, ততই বাড়বে?
মাটিতে জন্ম তার, মাথায় তার পানি, বিনে বাতাসে নড়ে চড়ে, নাম কি তার জানি?
এক গাছে দুই ফল, একটা মিষ্টি, একটা ঝাল!
কাঁচা থাকতে সবুজ বরন, পাকলে হয় লাল, মুখে দিলে জল আসে, ঝালে বেহাল!
চলতে চলতে থেমে যায়, কান পেঁচালে আবার ধায়।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল ছাড়া চলে না, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সবার ঘরে শোভা পায়।
পা আছে কিন্তু চলতে পারে না, পিঠ আছে কিন্তু শুতে পারে না।
মাথা আছে চুল নেই, চোখ আছে দৃষ্টি নেই, কাটলে রক্ত বের হয় না, তবে কান্দে মানুষ ভাই!
ছোট্ট একটি ঘর, তাতে অনেকগুলো বর, এক একসাথে জলে উঠে, একটু পেলেই ঘষ।
উপরে চামড়া, ভেতরে নদী, বলতে পারলে বুদ্ধিমান বরই!
যত টানি ততই ছোট হয়, জিনিসটি কি বলতে পারো?
দেখা যায় কিন্তু ধরা যায় না, হাজার চেষ্টা করলেও ছোঁয়া যায় না।
লাথি মারলে লাফিয়ে ওঠে, পেট পিটলেও কাঁদে না।
কালো ছাগল নদী পার হয়, কিন্তু পা ভেজে না।
পেকমেক করে চলে, বিলে বিলে চড়ে, জলে গিয়ে সাঁতার কেটে ডাঙ্গায় ডিম পাড়ে।
বাপের নাম বলতে পারো, মায়ের নাম নেই, ছেলে জন্ম নিয়ে দুনিয়া কাঁদায়!
এক গাছেতে জন্ম তাদের, হাজার হাজার ভাই, আলো দিলে মরে তারা, আঁধারে সুখ পায়।
পা নেই কিন্তু হাঁটতে পারে, মুখ নেই কিন্তু কথা বলতে পারে।
লাল ঘর, কালো দরজা, ভেতরে থাকে ছোট ছোট বাচ্চা।
পাঁচ ভাই এক সাথে থাকে, কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করে না।
এক বুড়ির এক চোখ, সূতা দিয়ে বোনে পোখ।
হাড় নেই, মাংস নেই, গায়ে তার ত্বক, দিনে ঘুমায়, রাতে তার খক খক।
আকাশ থেকে পড়ল গুঁড়ি, কাটার জায়গা নেই, বাঁধার জায়গা আছে!
এক বুড়ির আশি পেট, ভাত খায় শেট শেট।
কাটলে বাড়ে, জুড়লে কমে, জিনিসটা কী বল তো ভেবে?
মাথার ওপর ঘোরে সারাদিন, বাতাস দেয় কিন্তু দেয় না ঋণ।
এক ঘরেতে জন্ম তাদের, এক ঘরেতেই বাস, এক ঘষাতেই জীবন শেষ, জ্যান্ত হয়ে ছাই!
পা নেই কিন্তু চলে খুব, কান নেই কিন্তু শোনে সব, মুখ নেই কিন্তু গায় গান।
সোজা দেখলে মানুষ হাসে, বাঁকা দেখলে ভয় পায়!
জল দিলে মরে যায়, বাতাস দিলে বাঁচে, লাল লাল দেখতে সে, কার ঘরেতে আছে?
ছোট্ট এক থালায় কতগুলো তারা, দিন হলে পালায়, রাত হলে খাড়া!
লাল জামা গায়ে দিয়ে গাছে ঝুলে থাকে, কামড় দিলে জিভেতে খুব জ্বালা ধরে তাকে।
সবাই দেখে, কেউ ছোঁয় না, না দেখে কেউ ঘুমায় না।
উচ্চ ডালে বসে থাকে, পা দুটি তার নাই, রক্ত চুষে বেঁচে থাকে, জীব নয় সে ভাই!
সকালবেলা চার পায়ে চলে, দুপুরবেলা দুই পায়ে চলে, আর সন্ধ্যাবেলা তিন পায়ে চলে—বল তো কে?
হাতের কাছেই আছে সে, দেখা তো যায় না, স্পর্শ ছাড়া তাকে চেনা যায় না।
দিন-রাত হেঁটে চলে, নিজের কোনো ঘর নেই, সময় সবাইকে বলে দেয়, কোনো ক্লান্তি নেই।
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে খায়, শেষের অক্ষর কেটে দিলে গাছে ঝুলে রয়।
মাথার ওপর আকাশ আছে, পায়ের নিচে মাটি, চোখ বুজলে দেখা যায়, কোনটা সত্যি কোনটা খাঁটি?
গাছ আছে তার পাতা নেই, নদী আছে তার জল নেই, শহর আছে তার মানুষ নেই।
লাঠি মারলে ভাঙবে না, জল ঢাললে ভিজবে না, তরবারি দিয়ে কাটা যায় না—জিনিসটি কী?
হাত আছে, পা আছে, মাথা তার নাই, মানুষ হয়েও সে তো কথা বলে নাই।
সকালে জন্ম তার, দুপুরে জোয়ান, সন্ধ্যায় বৃদ্ধ হয়ে হারায় তার প্রাণ।
সাদা জমিনে কালো বীজ, হাত দিয়ে বোনে, মুখ দিয়ে পড়ে।
লাফ দিয়ে চলে সে, হাঁটে না তো মোটে, থলেতে ছানা নিয়ে বনবাদাড়ে ছোটে।
এক বুড়ির বারো জামাই, বারো জামাইয়ের ৩০টি করে সন্তান।
বাপের ঘরে জন্ম তার, মায়ের ঘরে বাস, বাপের ঘরে ফিরলে পরে কাটায় সর্বনাশ!
চার কোণ থালা তার, পানি দিলে ভরে না, বাতাস দিলে ওড়ে না।
লাল পোশাক পরে সে, মাথায় বিষের কাঁটা, গায়ে দিলে হাত তার, জ্বলে ওঠে চামড়া।
পাখা আছে পাখি নয়, গায়ে তার আলো, রাতের আঁধারে তাকে দেখতে খুব ভালো।
সবাই দেখে কিন্তু কেউ ধরে না, হাজার কাটলেও সে তো মোটে মরে না।
উড়তে পারে কিন্তু পাখি নয়, কামড় দিলে খুব বিষ হয়।
কাঁচা হলে চিবিয়ে খায়, পাকলে ফেলে দেয়!
কোন জিনিস কাটলে বড় হয়, আর জুড়লে ছোট হয়?
চার পা আছে কিন্তু হাঁটতে পারে না, খাবার দেয় কিন্তু নিজে খায় না।
এক গাছেতে অনেক ডাল, ডালগুলোতে ঝুলছে লাল লাল গাল।
কালো গায়ে লাল টিপ, রাতে জ্বলে যেমন দীপ।
তিন অক্ষরের নাম তার, বনেতে তার বাস, মাঝের অক্ষর কেটে দিলে জলে করে সাঁতার।
কান আছে শোনে না, চোখ আছে দেখে না, মুখ আছে বলে না।
মাটির নিচে জন্ম তার, সব তরকারির রাজ, ছাল তুললে পাওয়া যায় না কোনো লাজ।
এক থালা সুপারি, গুনতে পারে কোন ব্যাপারী?
সাদা চামড়া, ভেতরের জিনিস লাল, খেলে পরে মুখ হয় লাল টকটক।
এক বুড়ির অনেক চোখ, তবু বুড়ি অন্ধ!
শুকনো জায়গায় থাকে না, জলে গেলে বাঁচে না।
কোন জিনিস যত পরিষ্কার করবে, ততই কালো হবে?
আকাশে থাকে কিন্তু পাখি নয়, লেজ আছে কিন্তু পশু নয়।
ছোট্ট ঘরে থাকে সে, মাথা ঘষলেই জ্বলে সে।
জল ছাড়া চলা নাই, জল পেলেই মরণ তার ভাই।
বাপ ডেকে পাঠায়, মা আটকে রাখে, ছেলে এসে সব ভেঙে ফেলে।
এক বোতলে দুই রঙ, নাড়া দিলেও মেশে না।
পাখা আছে ওড়ে না, চললে বাতাস ছড়ায় না।
এক গাছে বারো ডাল, প্রতিটি ডালে ৩০টি করে পাতা, অর্ধেক সাদা অর্ধেক কালো।
হাত দিলে গুটিয়ে যায়, না ছুঁলে মেলে ধরে ডানা।
পা নেই কিন্তু ছুটতে পারে, চোখ নেই কিন্তু কাঁদতে পারে।
কোন ফল কাটলে রক্ত বের হয় না, কিন্তু নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠে?
আকাশ থেকে পড়ে কিন্তু ভাঙে না, জলে পড়লে গলে যায়।
গাছ আছে পাতা নেই, শাখা আছে ফল নেই।
মায়ের আগে সন্তানের জন্ম, বল তো জিনিসটা কী?
কোন জিনিস ভাঙলে সবাই হাততালি দেয়?
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে চেনে, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সুস্বাদু এক ফল।
এক বুড়ির আশি কোল, পেট ফুটো তার গোল গোল।
পায়ের নিচে থাকে সে, চললে সাথে যায়, থামলে পরে সে-ও থামে, ছোঁয়া তাকে না যায়।
কখনও ছোট, কখনও বড়, আলো পেলেই হয় তার জন্ম।
মাথা কেটে দিলে কান কাঁদে, কান কেটে দিলে চোখ কাঁদে।
কালো দেখতে কিন্তু কয়লা নয়, রক্ত চোষে কিন্তু জোক নয়।
এক অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে দেখতে চায়।
কাটলে বাড়ে, না কাটলে ছোট থাকে।
ঘরে থাকে কিন্তু জায়গা নেয় না।
মাটির ওপরে বাড়ি তার, মাটির নিচে ডাল, না দেখলে চিনবে কেমনে সে তো নয় কাল!
জল খেলে মরে যায়, হাওয়া খেলে বাঁচে।
সবাই ঘুমিয়ে পড়লে কে জেগে থাকে?
দুই অক্ষরের নাম তার, গাছে ঝুলন্ত রয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে জল হয়ে যায়।
হাত আছে আঙ্গুল নাই, গায়ে আছে প্রাণ নাই।
এক বুড়ির পেটেতে কাঁটা, খেলে তাকে জিভে দেয় চ্যাটা।
সকালবেলা উঠে সবাই যাকে খোঁজে, কাজ শেষে তাকে সবাই একপাশে রাখে।
কোন বস্তু কেনা হয় খাওয়ার জন্য, কিন্তু কেউ তা খায় না?
দেখা যায় না ছোঁয়া যায় না, কিন্তু তাকে ছাড়া বাঁছা যায় না।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল খেলে মরে যায়, বাতাস পেলে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
এক ঘরেতে বাস করে বহু ভাইবোন, মাথায় তাদের আগুন ধরে মরে সর্বজন।
লেজ দিয়ে জল খায়, মাথা দিয়ে আলো দেয়।
কোন জিনিস যত দেবে, ততই বাড়বে?
মাটিতে জন্ম তার, মাথায় তার পানি, বিনে বাতাসে নড়ে চড়ে, নাম কি তার জানি?
এক গাছে দুই ফল, একটা মিষ্টি, একটা ঝাল!
কাঁচা থাকতে সবুজ বরন, পাকলে হয় লাল, মুখে দিলে জল আসে, ঝালে বেহাল!
চলতে চলতে থেমে যায়, কান পেঁচালে আবার ধায়।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল ছাড়া চলে না, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সবার ঘরে শোভা পায়।
পা আছে কিন্তু চলতে পারে না, পিঠ আছে কিন্তু শুতে পারে না।
মাথা আছে চুল নেই, চোখ আছে দৃষ্টি নেই, কাটলে রক্ত বের হয় না, তবে কান্দে মানুষ ভাই!
ছোট্ট একটি ঘর, তাতে অনেকগুলো বর, এক একসাথে জলে উঠে, একটু পেলেই ঘষ।
উপরে চামড়া, ভেতরে নদী, বলতে পারলে বুদ্ধিমান বরই!
যত টানি ততই ছোট হয়, জিনিসটি কি বলতে পারো?
দেখা যায় কিন্তু ধরা যায় না, হাজার চেষ্টা করলেও ছোঁয়া যায় না।
লাথি মারলে লাফিয়ে ওঠে, পেট পিটলেও কাঁদে না।
কালো ছাগল নদী পার হয়, কিন্তু পা ভেজে না।
পেকমেক করে চলে, বিলে বিলে চড়ে, জলে গিয়ে সাঁতার কেটে ডাঙ্গায় ডিম পাড়ে।
বাপের নাম বলতে পারো, মায়ের নাম নেই, ছেলে জন্ম নিয়ে দুনিয়া কাঁদায়!
এক গাছেতে জন্ম তাদের, হাজার হাজার ভাই, আলো দিলে মরে তারা, আঁধারে সুখ পায়।
পা নেই কিন্তু হাঁটতে পারে, মুখ নেই কিন্তু কথা বলতে পারে।
লাল ঘর, কালো দরজা, ভেতরে থাকে ছোট ছোট বাচ্চা।
পাঁচ ভাই এক সাথে থাকে, কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করে না।
এক বুড়ির এক চোখ, সূতা দিয়ে বোনে পোখ।
হাড় নেই, মাংস নেই, গায়ে তার ত্বক, দিনে ঘুমায়, রাতে তার খক খক।
আকাশ থেকে পড়ল গুঁড়ি, কাটার জায়গা নেই, বাঁধার জায়গা আছে!
এক বুড়ির আশি পেট, ভাত খায় শেট শেট।
কাটলে বাড়ে, জুড়লে কমে, জিনিসটা কী বল তো ভেবে?
মাথার ওপর ঘোরে সারাদিন, বাতাস দেয় কিন্তু দেয় না ঋণ।
এক ঘরেতে জন্ম তাদের, এক ঘরেতেই বাস, এক ঘষাতেই জীবন শেষ, জ্যান্ত হয়ে ছাই!
পা নেই কিন্তু চলে খুব, কান নেই কিন্তু শোনে সব, মুখ নেই কিন্তু গায় গান।
সোজা দেখলে মানুষ হাসে, বাঁকা দেখলে ভয় পায়!
জল দিলে মরে যায়, বাতাস দিলে বাঁচে, লাল লাল দেখতে সে, কার ঘরেতে আছে?
ছোট্ট এক থালায় কতগুলো তারা, দিন হলে পালায়, রাত হলে খাড়া!
লাল জামা গায়ে দিয়ে গাছে ঝুলে থাকে, কামড় দিলে জিভেতে খুব জ্বালা ধরে তাকে।
সবাই দেখে, কেউ ছোঁয় না, না দেখে কেউ ঘুমায় না।
উচ্চ ডালে বসে থাকে, পা দুটি তার নাই, রক্ত চুষে বেঁচে থাকে, জীব নয় সে ভাই!
সকালবেলা চার পায়ে চলে, দুপুরবেলা দুই পায়ে চলে, আর সন্ধ্যাবেলা তিন পায়ে চলে—বল তো কে?
হাতের কাছেই আছে সে, দেখা তো যায় না, স্পর্শ ছাড়া তাকে চেনা যায় না।
দিন-রাত হেঁটে চলে, নিজের কোনো ঘর নেই, সময় সবাইকে বলে দেয়, কোনো ক্লান্তি নেই।
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে খায়, শেষের অক্ষর কেটে দিলে গাছে ঝুলে রয়।
মাথার ওপর আকাশ আছে, পায়ের নিচে মাটি, চোখ বুজলে দেখা যায়, কোনটা সত্যি কোনটা খাঁটি?
গাছ আছে তার পাতা নেই, নদী আছে তার জল নেই, শহর আছে তার মানুষ নেই।
লাঠি মারলে ভাঙবে না, জল ঢাললে ভিজবে না, তরবারি দিয়ে কাটা যায় না—জিনিসটি কী?
হাত আছে, পা আছে, মাথা তার নাই, মানুষ হয়েও সে তো কথা বলে নাই।
সকালে জন্ম তার, দুপুরে জোয়ান, সন্ধ্যায় বৃদ্ধ হয়ে হারায় তার প্রাণ।
সাদা জমিনে কালো বীজ, হাত দিয়ে বোনে, মুখ দিয়ে পড়ে।
লাফ দিয়ে চলে সে, হাঁটে না তো মোটে, থলেতে ছানা নিয়ে বনবাদাড়ে ছোটে।
এক বুড়ির বারো জামাই, বারো জামাইয়ের ৩০টি করে সন্তান।
বাপের ঘরে জন্ম তার, মায়ের ঘরে বাস, বাপের ঘরে ফিরলে পরে কাটায় সর্বনাশ!
চার কোণ থালা তার, পানি দিলে ভরে না, বাতাস দিলে ওড়ে না।
লাল পোশাক পরে সে, মাথায় বিষের কাঁটা, গায়ে দিলে হাত তার, জ্বলে ওঠে চামড়া।
পাখা আছে পাখি নয়, গায়ে তার আলো, রাতের আঁধারে তাকে দেখতে খুব ভালো।
সবাই দেখে কিন্তু কেউ ধরে না, হাজার কাটলেও সে তো মোটে মরে না।
উড়তে পারে কিন্তু পাখি নয়, কামড় দিলে খুব বিষ হয়।
কাঁচা হলে চিবিয়ে খায়, পাকলে ফেলে দেয়!
কোন জিনিস কাটলে বড় হয়, আর জুড়লে ছোট হয়?
চার পা আছে কিন্তু হাঁটতে পারে না, খাবার দেয় কিন্তু নিজে খায় না।
এক গাছেতে অনেক ডাল, ডালগুলোতে ঝুলছে লাল লাল গাল।
কালো গায়ে লাল টিপ, রাতে জ্বলে যেমন দীপ।
তিন অক্ষরের নাম তার, বনেতে তার বাস, মাঝের অক্ষর কেটে দিলে জলে করে সাঁতার।
কান আছে শোনে না, চোখ আছে দেখে না, মুখ আছে বলে না।
মাটির নিচে জন্ম তার, সব তরকারির রাজ, ছাল তুললে পাওয়া যায় না কোনো লাজ।
এক থালা সুপারি, গুনতে পারে কোন ব্যাপারী?
সাদা চামড়া, ভেতরের জিনিস লাল, খেলে পরে মুখ হয় লাল টকটক।
এক বুড়ির অনেক চোখ, তবু বুড়ি অন্ধ!
শুকনো জায়গায় থাকে না, জলে গেলে বাঁচে না।
কোন জিনিস যত পরিষ্কার করবে, ততই কালো হবে?
আকাশে থাকে কিন্তু পাখি নয়, লেজ আছে কিন্তু পশু নয়।
ছোট্ট ঘরে থাকে সে, মাথা ঘষলেই জ্বলে সে।
জল ছাড়া চলা নাই, জল পেলেই মরণ তার ভাই।
বাপ ডেকে পাঠায়, মা আটকে রাখে, ছেলে এসে সব ভেঙে ফেলে।
এক বোতলে দুই রঙ, নাড়া দিলেও মেশে না।
পাখা আছে ওড়ে না, চললে বাতাস ছড়ায় না।
এক গাছে বারো ডাল, প্রতিটি ডালে ৩০টি করে পাতা, অর্ধেক সাদা অর্ধেক কালো।
হাত দিলে গুটিয়ে যায়, না ছুঁলে মেলে ধরে ডানা।
পা নেই কিন্তু ছুটতে পারে, চোখ নেই কিন্তু কাঁদতে পারে।
কোন ফল কাটলে রক্ত বের হয় না, কিন্তু নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠে?
আকাশ থেকে পড়ে কিন্তু ভাঙে না, জলে পড়লে গলে যায়।
গাছ আছে পাতা নেই, শাখা আছে ফল নেই।
মায়ের আগে সন্তানের জন্ম, বল তো জিনিসটা কী?
কোন জিনিস ভাঙলে সবাই হাততালি দেয়?
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে চেনে, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সুস্বাদু এক ফল।
এক বুড়ির আশি কোল, পেট ফুটো তার গোল গোল।
পায়ের নিচে থাকে সে, চললে সাথে যায়, থামলে পরে সে-ও থামে, ছোঁয়া তাকে না যায়।
কখনও ছোট, কখনও বড়, আলো পেলেই হয় তার জন্ম।
মাথা কেটে দিলে কান কাঁদে, কান কেটে দিলে চোখ কাঁদে।
কালো দেখতে কিন্তু কয়লা নয়, রক্ত চোষে কিন্তু জোক নয়।
এক অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে দেখতে চায়।
কাটলে বাড়ে, না কাটলে ছোট থাকে।
ঘরে থাকে কিন্তু জায়গা নেয় না।
মাটির ওপরে বাড়ি তার, মাটির নিচে ডাল, না দেখলে চিনবে কেমনে সে তো নয় কাল!
জল খেলে মরে যায়, হাওয়া খেলে বাঁচে।
সবাই ঘুমিয়ে পড়লে কে জেগে থাকে?
দুই অক্ষরের নাম তার, গাছে ঝুলন্ত রয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে জল হয়ে যায়।
হাত আছে আঙ্গুল নাই, গায়ে আছে প্রাণ নাই।
এক বুড়ির পেটেতে কাঁটা, খেলে তাকে জিভে দেয় চ্যাটা।
সকালবেলা উঠে সবাই যাকে খোঁজে, কাজ শেষে তাকে সবাই একপাশে রাখে।
কোন বস্তু কেনা হয় খাওয়ার জন্য, কিন্তু কেউ তা খায় না?
দেখা যায় না ছোঁয়া যায় না, কিন্তু তাকে ছাড়া বাঁছা যায় না।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল খেলে মরে যায়, বাতাস পেলে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
এক ঘরেতে বাস করে বহু ভাইবোন, মাথায় তাদের আগুন ধরে মরে সর্বজন।
লেজ দিয়ে জল খায়, মাথা দিয়ে আলো দেয়।
কোন জিনিস যত দেবে, ততই বাড়বে?
মাটিতে জন্ম তার, মাথায় তার পানি, বিনে বাতাসে নড়ে চড়ে, নাম কি তার জানি?
এক গাছে দুই ফল, একটা মিষ্টি, একটা ঝাল!
কাঁচা থাকতে সবুজ বরন, পাকলে হয় লাল, মুখে দিলে জল আসে, ঝালে বেহাল!
চলতে চলতে থেমে যায়, কান পেঁচালে আবার ধায়।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল ছাড়া চলে না, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সবার ঘরে শোভা পায়।
পা আছে কিন্তু চলতে পারে না, পিঠ আছে কিন্তু শুতে পারে না।
মাথা আছে চুল নেই, চোখ আছে দৃষ্টি নেই, কাটলে রক্ত বের হয় না, তবে কান্দে মানুষ ভাই!
ছোট্ট একটি ঘর, তাতে অনেকগুলো বর, এক একসাথে জলে উঠে, একটু পেলেই ঘষ।
উপরে চামড়া, ভেতরে নদী, বলতে পারলে বুদ্ধিমান বরই!
যত টানি ততই ছোট হয়, জিনিসটি কি বলতে পারো?
দেখা যায় কিন্তু ধরা যায় না, হাজার চেষ্টা করলেও ছোঁয়া যায় না।
লাথি মারলে লাফিয়ে ওঠে, পেট পিটলেও কাঁদে না।
কালো ছাগল নদী পার হয়, কিন্তু পা ভেজে না।
পেকমেক করে চলে, বিলে বিলে চড়ে, জলে গিয়ে সাঁতার কেটে ডাঙ্গায় ডিম পাড়ে।
বাপের নাম বলতে পারো, মায়ের নাম নেই, ছেলে জন্ম নিয়ে দুনিয়া কাঁদায়!
এক গাছেতে জন্ম তাদের, হাজার হাজার ভাই, আলো দিলে মরে তারা, আঁধারে সুখ পায়।
পা নেই কিন্তু হাঁটতে পারে, মুখ নেই কিন্তু কথা বলতে পারে।
লাল ঘর, কালো দরজা, ভেতরে থাকে ছোট ছোট বাচ্চা।
পাঁচ ভাই এক সাথে থাকে, কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করে না।
এক বুড়ির এক চোখ, সূতা দিয়ে বোনে পোখ।
হাড় নেই, মাংস নেই, গায়ে তার ত্বক, দিনে ঘুমায়, রাতে তার খক খক।
আকাশ থেকে পড়ল গুঁড়ি, কাটার জায়গা নেই, বাঁধার জায়গা আছে!
এক বুড়ির আশি পেট, ভাত খায় শেট শেট।
কাটলে বাড়ে, জুড়লে কমে, জিনিসটা কী বল তো ভেবে?
মাথার ওপর ঘোরে সারাদিন, বাতাস দেয় কিন্তু দেয় না ঋণ।
এক ঘরেতে জন্ম তাদের, এক ঘরেতেই বাস, এক ঘষাতেই জীবন শেষ, জ্যান্ত হয়ে ছাই!
পা নেই কিন্তু চলে খুব, কান নেই কিন্তু শোনে সব, মুখ নেই কিন্তু গায় গান।
সোজা দেখলে মানুষ হাসে, বাঁকা দেখলে ভয় পায়!
জল দিলে মরে যায়, বাতাস দিলে বাঁচে, লাল লাল দেখতে সে, কার ঘরেতে আছে?
ছোট্ট এক থালায় কতগুলো তারা, দিন হলে পালায়, রাত হলে খাড়া!
লাল জামা গায়ে দিয়ে গাছে ঝুলে থাকে, কামড় দিলে জিভেতে খুব জ্বালা ধরে তাকে।
সবাই দেখে, কেউ ছোঁয় না, না দেখে কেউ ঘুমায় না।
উচ্চ ডালে বসে থাকে, পা দুটি তার নাই, রক্ত চুষে বেঁচে থাকে, জীব নয় সে ভাই!
সকালবেলা চার পায়ে চলে, দুপুরবেলা দুই পায়ে চলে, আর সন্ধ্যাবেলা তিন পায়ে চলে—বল তো কে?
হাতের কাছেই আছে সে, দেখা তো যায় না, স্পর্শ ছাড়া তাকে চেনা যায় না।
দিন-রাত হেঁটে চলে, নিজের কোনো ঘর নেই, সময় সবাইকে বলে দেয়, কোনো ক্লান্তি নেই।
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে খায়, শেষের অক্ষর কেটে দিলে গাছে ঝুলে রয়।
মাথার ওপর আকাশ আছে, পায়ের নিচে মাটি, চোখ বুজলে দেখা যায়, কোনটা সত্যি কোনটা খাঁটি?
গাছ আছে তার পাতা নেই, নদী আছে তার জল নেই, শহর আছে তার মানুষ নেই।
লাঠি মারলে ভাঙবে না, জল ঢাললে ভিজবে না, তরবারি দিয়ে কাটা যায় না—জিনিসটি কী?
হাত আছে, পা আছে, মাথা তার নাই, মানুষ হয়েও সে তো কথা বলে নাই।
সকালে জন্ম তার, দুপুরে জোয়ান, সন্ধ্যায় বৃদ্ধ হয়ে হারায় তার প্রাণ।
সাদা জমিনে কালো বীজ, হাত দিয়ে বোনে, মুখ দিয়ে পড়ে।
লাফ দিয়ে চলে সে, হাঁটে না তো মোটে, থলেতে ছানা নিয়ে বনবাদাড়ে ছোটে।
এক বুড়ির বারো জামাই, বারো জামাইয়ের ৩০টি করে সন্তান।
বাপের ঘরে জন্ম তার, মায়ের ঘরে বাস, বাপের ঘরে ফিরলে পরে কাটায় সর্বনাশ!
চার কোণ থালা তার, পানি দিলে ভরে না, বাতাস দিলে ওড়ে না।
লাল পোশাক পরে সে, মাথায় বিষের কাঁটা, গায়ে দিলে হাত তার, জ্বলে ওঠে চামড়া।
পাখা আছে পাখি নয়, গায়ে তার আলো, রাতের আঁধারে তাকে দেখতে খুব ভালো।
সবাই দেখে কিন্তু কেউ ধরে না, হাজার কাটলেও সে তো মোটে মরে না।
উড়তে পারে কিন্তু পাখি নয়, কামড় দিলে খুব বিষ হয়।
কাঁচা হলে চিবিয়ে খায়, পাকলে ফেলে দেয়!
কোন জিনিস কাটলে বড় হয়, আর জুড়লে ছোট হয়?
চার পা আছে কিন্তু হাঁটতে পারে না, খাবার দেয় কিন্তু নিজে খায় না।
এক গাছেতে অনেক ডাল, ডালগুলোতে ঝুলছে লাল লাল গাল।
কালো গায়ে লাল টিপ, রাতে জ্বলে যেমন দীপ।
তিন অক্ষরের নাম তার, বনেতে তার বাস, মাঝের অক্ষর কেটে দিলে জলে করে সাঁতার।
কান আছে শোনে না, চোখ আছে দেখে না, মুখ আছে বলে না।
মাটির নিচে জন্ম তার, সব তরকারির রাজ, ছাল তুললে পাওয়া যায় না কোনো লাজ।
এক থালা সুপারি, গুনতে পারে কোন ব্যাপারী?
সাদা চামড়া, ভেতরের জিনিস লাল, খেলে পরে মুখ হয় লাল টকটক।
এক বুড়ির অনেক চোখ, তবু বুড়ি অন্ধ!
শুকনো জায়গায় থাকে না, জলে গেলে বাঁচে না।
কোন জিনিস যত পরিষ্কার করবে, ততই কালো হবে?
আকাশে থাকে কিন্তু পাখি নয়, লেজ আছে কিন্তু পশু নয়।
ছোট্ট ঘরে থাকে সে, মাথা ঘষলেই জ্বলে সে।
জল ছাড়া চলা নাই, জল পেলেই মরণ তার ভাই।
বাপ ডেকে পাঠায়, মা আটকে রাখে, ছেলে এসে সব ভেঙে ফেলে।
এক বোতলে দুই রঙ, নাড়া দিলেও মেশে না।
পাখা আছে ওড়ে না, চললে বাতাস ছড়ায় না।
এক গাছে বারো ডাল, প্রতিটি ডালে ৩০টি করে পাতা, অর্ধেক সাদা অর্ধেক কালো।
হাত দিলে গুটিয়ে যায়, না ছুঁলে মেলে ধরে ডানা।
পা নেই কিন্তু ছুটতে পারে, চোখ নেই কিন্তু কাঁদতে পারে।
কোন ফল কাটলে রক্ত বের হয় না, কিন্তু নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠে?
আকাশ থেকে পড়ে কিন্তু ভাঙে না, জলে পড়লে গলে যায়।
গাছ আছে পাতা নেই, শাখা আছে ফল নেই।
মায়ের আগে সন্তানের জন্ম, বল তো জিনিসটা কী?
কোন জিনিস ভাঙলে সবাই হাততালি দেয়?
তিন অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে চেনে, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে সুস্বাদু এক ফল।
এক বুড়ির আশি কোল, পেট ফুটো তার গোল গোল।
পায়ের নিচে থাকে সে, চললে সাথে যায়, থামলে পরে সে-ও থামে, ছোঁয়া তাকে না যায়।
কখনও ছোট, কখনও বড়, আলো পেলেই হয় তার জন্ম।
মাথা কেটে দিলে কান কাঁদে, কান কেটে দিলে চোখ কাঁদে।
কালো দেখতে কিন্তু কয়লা নয়, রক্ত চোষে কিন্তু জোক নয়।
এক অক্ষরের নাম তার, সবাই তাকে দেখতে চায়।
কাটলে বাড়ে, না কাটলে ছোট থাকে।
ঘরে থাকে কিন্তু জায়গা নেয় না।
মাটির ওপরে বাড়ি তার, মাটির নিচে ডাল, না দেখলে চিনবে কেমনে সে তো নয় কাল!
জল খেলে মরে যায়, হাওয়া খেলে বাঁচে।
সবাই ঘুমিয়ে পড়লে কে জেগে থাকে?
দুই অক্ষরের নাম তার, গাছে ঝুলন্ত রয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে জল হয়ে যায়।
হাত আছে আঙ্গুল নাই, গায়ে আছে প্রাণ নাই।
এক বুড়ির পেটেতে কাঁটা, খেলে তাকে জিভে দেয় চ্যাটা।
সকালবেলা উঠে সবাই যাকে খোঁজে, কাজ শেষে তাকে সবাই একপাশে রাখে।
কোন বস্তু কেনা হয় খাওয়ার জন্য, কিন্তু কেউ তা খায় না?
দেখা যায় না ছোঁয়া যায় না, কিন্তু তাকে ছাড়া বাঁছা যায় না।
তিন অক্ষরের নাম তার, জল খেলে মরে যায়, বাতাস পেলে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
এক ঘরেতে বাস করে বহু ভাইবোন, মাথায় তাদের আগুন ধরে মরে সর্বজন।
লেজ দিয়ে জল খায়, মাথা দিয়ে আলো দেয়।
কোন জিনিস যত দেবে, ততই বাড়বে?