গদ্য ১: সততার পুরস্কার (মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্)
পরীক্ষার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি এক কথায় উত্তর:
১. 'সততার পুরস্কার' গল্পটি কোন দেশের লোককাহিনীর ছায়া অবলম্বনে রচিত?
উত্তর: আরব দেশের লোককাহিনী।
২. 'সততার পুরস্কার' গল্পে মোট কতজন ব্যক্তির উল্লেখ আছে যাদের আল্লাহ পরীক্ষা করেছিলেন?
উত্তর: ৩ জন।
৩. প্রথম ব্যক্তির কী রোগ ছিল?
উত্তর: ধবল রোগ (কুষ্ঠ রোগ)।
৪. দ্বিতীয় ব্যক্তির শারীরিক সমস্যা কী ছিল?
উত্তর: তার মাথায় টাক ছিল (টাকওয়ালা)।
৫. তৃতীয় ব্যক্তির কী শারীরিক অক্ষমতা ছিল?
উত্তর: সে অন্ধ ছিল।
৬. আল্লাহ তিনজনকে পরীক্ষা করার জন্য কাকে পাঠিয়েছিলেন?
উত্তর: একজন স্বর্গীয় দূত বা ফেরেশতা।
৭. স্বর্গীয় দূত বা ফেরেশতা কার তৈরি?
উত্তর: নূরের (আলোর) তৈরি।
৮. ধবল রোগীকে ফেরেশতা কী উপহার দিয়েছিলেন?
উত্তর: একটি গাভিন উট।
৯. টাকওয়ালাকে ফেরেশতা কী পশু দিয়েছিলেন?
উত্তর: একটি গাভিন গাই (গরু)।
১০. অন্ধ লোকটিকে ফেরেশতা কী দিয়েছিলেন?
উত্তর: একটি গাভিন ছাগল।
১১. ফেরেশতা পরবর্তীতে যখন পরীক্ষা করতে আসলেন, তখন তিনি কোন বেশে এসেছিলেন?
উত্তর: বিদেশী বা মুসাফির বেশে।
১২. ধবল রোগী ফেরেশতাকে সাহায্য করতে অস্বীকার করে কী অজুহাত দিয়েছিল?
উত্তর: বলেছিল অনেক দেনা বা পাওনা আছে।
১৩. ধবল রোগী তার ধন-সম্পদ কার কাছ থেকে বংশানুক্রমে পেয়েছে বলে দাবি করেছিল?
উত্তর: বাপদাদার আমল থেকে পুরুষানুক্রমে পেয়েছে।
১৪. সাহায্য না পেয়ে প্রথম দুজনকে ফেরেশতা কী অভিশাপ বা কথা বলেছিলেন?
উত্তর: "যদি তুমি মিথ্যা বলে থাকো, তবে যেমন ছিলে আল্লাহ তোমাকে আবার তেমন করবেন।"
১৫. তিনজনের মধ্যে কে ফেরেশতাকে সানন্দে সবকিছু দিতে রাজি হয়েছিল?
উত্তর: তৃতীয় ব্যক্তি (অন্ধ লোকটি)।
১৬. অন্ধ ব্যক্তিটি ফেরেশতাকে কী বলেছিল?
উত্তর: "তোমার যা ইচ্ছা নিয়ে যাও, আল্লাহর কসম আজ আমি তোমাকে কিছুই নিষেধ করব না।"
১৭. পরীক্ষা শেষে কার উপর আল্লাহ খুশি বা সন্তুষ্ট হলেন?
উত্তর: অন্ধ লোকটির উপর।
১৮. প্রথম দুজন ব্যক্তির শেষ পরিণতি কী হয়েছিল?
উত্তর: তারা পূর্বের মতো দরিদ্র ও রোগগ্রস্ত হয়ে গেল এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টি লাভ করল।
১৯. 'সততার पुरस्कार' গল্পের মূল শিক্ষা কী?
উত্তর: সততা ও কৃতজ্ঞতার পুরস্কার পাওয়া যায় এবং অকৃতজ্ঞতার পরিণাম ধ্বংসাত্মক।
২০. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৮৮৫ সালে।
২১. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভারতের কোন রাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে।
২২. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কোন বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন?
উত্তর: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
২৩. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত'।
২৪. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত বিখ্যাত শিশু পত্রিকার নাম কী?
উত্তর: আঙুর।
২৫. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কত সালে এবং কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ১৯৬৯ সালে ঢাকায়।
২৬. গল্পে 'ধবল' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: শ্বেত বা সাদা (কুষ্ঠ রোগ)।
২৭. 'আমির' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ধনী বা প্রধান।
২৮. 'পুঁজি' শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: সম্বল বা আসল ধন।
২৯. ফেরেশতারা কিসের দূত হিসেবে কাজ করেন?
উত্তর: আল্লাহর বা ঈশ্বরের দূত।
৩০. 'দোহাই' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: শপথ বা কসম।
গদ্য ২: মিনু (বনফুল)
পরীক্ষার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি এক কথায় উত্তর:
৩১. মিনুর বয়স কত বছর ছিল?
উত্তর: ১০ বছর।
৩২. মিনুর শারীরিক প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী ছিল?
উত্তর: সে ছিল বোবা এবং কালা (বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী)।
৩৩. মিনুর মা-বাবা বেঁচে ছিলেন কি?
উত্তর: না, মিনু ছিল অনাথ (পিতা-মাতা মরা)।
৩৪. মিনু কার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে থাকত?
উত্তর: তার দূরসম্পর্কের পিসিমা ও যোগেন বসাকের বাড়িতে।
৩৫. যোগেন বসাক মিনুকে কেন আশ্রয় দিয়েছিলেন?
উত্তর: পেটভাতায় এমন সর্বগুণান্বিতা ২৪ ঘণ্টার দাসী পাওয়া শক্ত বলে।
৩৬. মিনু খুব ভোরে উঠে আকাশের কোন তারাটির দিকে তাকাত?
উত্তর: শুকতারা।
৩৭. মিনু শুকতারাকে কী মনে করত?
উত্তর: নিজের সই (বান্ধবী)।
৩৮. মিনুর মতে শুকতারার চারপাশের আবছা মেঘগুলো কী ছিল?
উত্তর: কয়লার ধোঁয়া।
৩৯. মিনুর মহাশত্রু কে বা কারা ছিল?
উত্তর: বোলতা এবং ভীমরুল।
৪০. মিনু কোন পাখিকে তার শত্রু মনে করত না কিন্তু তার আসার সাথে বাবার আসার মিল দেখত?
উত্তর: হলদে পাখি।
৪১. মিনুর রান্নাঘরের বাসনপত্রগুলোর মধ্যে চারটির নাম কী রেখেছিল?
উত্তর: ঘটিগুলোর নাম পুঁটি এবং গ্লাস চারটির নাম হরু, বারু, তারু ও কারু।
৪২. মিনু যে বড় পাথরটির উপর কয়লা ভাঙত, তার নাম কী দিয়েছিল?
উত্তর: শানু।
৪৩. যে হাতুড়িটি দিয়ে মিনু কয়লা ভাঙত, তার নাম কী ছিল?
উত্তর: গদাই।
৪৪. পাশের বাড়ির কোন মেয়েটির বাবা বিদেশ থেকে ফিরেছিল?
উত্তর: টুনু।
৪৫. কাঁঠাল গাছের কোন ডালে হলদে পাখি বসলে মিনু ভাবত তার বাবা আসবে?
উত্তর: সরু শুকনো ডালে।
৪৬. মিনু কার আসার অপেক্ষায় সবসময় ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকত?
উত্তর: তার প্রবাসী মৃত বাবার আসার অপেক্ষায়।
৪৭. একদিন মিনুর প্রচন্ড কী রোগ বা শরীর খারাপ হয়েছিল?
উত্তর: প্রচণ্ড জ্বর (১০৫ ডিগ্রি)।
৪৮. জ্বরের ঘোরেও মিনু বিছানা ছেড়ে কোথায় ছুটে গিয়েছিল?
উত্তর: ছাদে, হলদে পাখি দেখতে।
৪৯. 'মিনু' গল্পের মূল উপজীব্য বিষয় বা চেতনা কী?
উত্তর: এক অসহায় প্রতিবন্ধী কিশোরীর প্রকৃতির সাথে সখ্যতা এবং তার মনস্তাত্ত্বিক জগতের প্রকাশ।
৫০. 'বনফুল' কার ছদ্মনাম?
উত্তর: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
৫১. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৮৯৯ সালে।
৫২. লেখক বনফুল ভারতের কোন রাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: বিহারের পূর্ণিয়া জেলার মনিহারী গ্রামে।
৫৩. পেশাগত জীবনে বনফুল কী ছিলেন?
উত্তর: প্যাথলজিস্ট বা চিকিৎসক (মেডিকেল অফিসার)।
৫৪. বনফুলকে ভারত সরকার কোন উপাধিতে ভূষিত করে?
উত্তর: পদ্মভূষণ।
৫৫. লেখক বনফুল কত সালে এবং কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ১৯৭৯ সালে কলকাতায়।
৫৬. গল্পে 'উনুনে আগুন দেওয়াকে' মিনু কার সাথে তুলনা করেছে?
উত্তর: রাক্ষসীকে পুড়িয়ে মারার সাথে।
৫৭. 'পেটভাতায়' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: শুধু পেটে-ভাতে বা খাদ্যের বিনিময়ে কাজ করা।
৫৮. 'পিসিমা' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: বাবার বোন বা ফুফু।
৫৯. মিনু কার কামড় খেয়ে কেঁদেছিল এবং পরে প্রতিশোধ নিয়েছিল?
উত্তর: বোলতা।
৬০. মিনু তার সই শুকতারাকে দেখে ভোরে কোন দিকে তাকাত?
উত্তর: পূর্ব আকাশে।