৫০টি এক কথায় উত্তর
১. ‘শ্রাবণে’ কবিতাটির কবি কে? — সুকুমার রায়
২. সুকুমার রায় বাংলা সাহিত্যে মূলত কী ধরনের রচনার জন্য বিখ্যাত? — ননসেন্স রাইম বা আবোলতাবোল মার্কা হাসির ছড়া ও শিশুসাহিত্য
৩. ‘শ্রাবণে’ কবিতাটি কবির কোন বিখ্যাত ছড়ার বই থেকে সংকলিত হয়েছে? — খাইখাই
৪. "জল ঝরে জল ঝরে..." — কবিতায় কোন ঋতুর বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে? — বর্ষা ঋতুর (শ্রাবণ মাসের)
৫. শ্রাবণের বৃষ্টি ধারাকে কবি কার সাথে তুলনা করেছেন? — উন্মাদের মতো অবিরাম ঝরে পড়ার সাথে
৬. আকাশজুড়ে কিসের গান বেজে চলে বলে কবি উল্লেখ করেছেন? — অবিরাম জল ঝরার গান
৭. বৃষ্টির পানিতে ঘরের কোন অংশটি সবচেয়ে বেশি ভেসে যায়? — ছাদ এবং নর্দমা
৮. "ঝরঝর বাদলের..." — বাদল শব্দের অর্থ কী? — বর্ষা বা বৃষ্টি
৯. অবিরাম বৃষ্টির ফলে চারপাশের নদী-নালা কীরূপ ধারণ করে? — জলে থৈ থৈ বা কানায় কানায় পূর্ণ হয়
১০. বৃষ্টির জলে গাছপালার কী পরিবর্তন ঘটে? — ধুলোবালি ধুয়ে সতেজ ও সবুজ হয়ে ওঠে
১১. "ধোয়া মুছে সাফ করে..." — বৃষ্টি প্রকৃতিকে কী করে দেয়? — একদম পরিষ্কার ও সতেজ করে তোলে
১২. শ্রাবণের মেঘের কারণে কার মুখ ঢাকা পড়েছে বলে কবি মনে করেন? — সূর্যের মুখ
১৩. বৃষ্টির শব্দকে কবি কিসের অবিরাম ধ্বনির সাথে তুলনা করেছেন? — ধুকপুক বা একটানা ছন্দের ধ্বনির সাথে
১৪. সুকুমার রায়ের পিতার নাম কী, যিনি নিজেও একজন বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ছিলেন? — উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
১৫. সুকুমার রায়ের বিখ্যাত পুত্রের নাম কী, যিনি বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা? — সত্যজিৎ রায়
১৬. সুকুমার রায়ের জন্ম কত সালে? — ১৮৮৭ সালে (৩০শে অক্টোবর)
১৭. কবি সুকুমার রায়ের জন্মস্থান কোথায়? — কলকাতায় (পৈতৃক নিবাস ছিল বাংলাদেশের ময়মনসিংহের মসুয়া গ্রামে)
১৮. ‘শ্রাবণে’ কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী? — বর্ষার প্রকৃতির এক জীবন্ত ও ছন্দময় রূপের বর্ণনা
১৯. "নিঝুম নিঝুল" বা "ট্যাপট্যাপ" শব্দ দিয়ে কবি কী বুঝিয়েছেন? — বৃষ্টির অনবরত পতনের চমৎকার শব্দরূপ
২০. নদী-নালা ও মাঠ-ঘাট কখন তাদের সীমানা হারিয়ে এক হয়ে যায়? — বর্ষার প্রবল বর্ষণের ফলে
২১. "আঁধার করিয়া আসে..." — বর্ষার মেঘে চারপাশ কেমন দেখায়? — দিনের বেলাতেও সন্ধ্যার মতো অন্ধকার লাগে
২২. বৃষ্টির জল মাটির বুক চিরে কোথায় গিয়ে মিশে যায়? — ভূগর্ভে বা নদী-নালা ও জলাশয়ে
২৩. "স্নান করে গাছপালা..." — এখানে প্রকৃতির কোন অবস্থার ইঙ্গিত রয়েছে? — বৃষ্টির জলে সিক্ত ও পরিচ্ছন্ন উদ্ভিদ রাজির
২৪. সুকুমার রায়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ছড়ার বইয়ের নাম কী? — আবোলতাবোল
২৫. সুকুমার রায় সম্পাদিত বিখ্যাত কিশোর পত্রিকার নাম কী? — সন্দেশ
২৬. "বাদল-ধারে" শব্দের অর্থ কী? — বৃষ্টির ধারায় বা বৃষ্টির স্রোতে
২৭. বর্ষার প্রবল বৃষ্টিতে কার আরামের ঘুম ভাঙে বলে মনে হয়? — অলস প্রকৃতির
২৮. ‘শ্রাবণে’ কবিতায় মূলত কোন দুটি উপাদানের মেলবন্ধন ঘটেছে? — আকাশ আর মাটির জলের মিলন
২৯. সুকুমার রায়ের একটি বিখ্যাত নাটকের নাম কী? — লক্ষ্মণের শক্তিশেল / শব্দকল্পদ্রুম
৩০. কবি কত বছর বয়সে পরলোকগমন করেন? — মাত্র ৩৬ বছর বয়সে
৩১. "উথলে ওঠে নদী..." — নদী কখন উথলে ওঠে? — যখন শ্রাবণের বৃষ্টি অবিরাম ধারায় পড়তে থাকে
৩২. বর্ষার বৃষ্টিতে প্রকৃতির ধুলোবালি ধুয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে কবি কিসের সাথে তুলনা করেছেন? — প্রকৃতির স্নান করার সাথে
৩৩. সুকুমার রায় কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান? — কালাজ্বরে (লিশম্যানিয়াসিস)
৩৪. সুকুমার রায়ের মৃত্যুর কত দিন পর তাঁর বিখ্যাত ‘আবোলতাবোল’ বইটি প্রকাশিত হয়? — মাত্র ৯ দিন পর
৩৫. "আকাশের কান্নাহাসি..." — কবিতায় প্রকৃতির কোন রূপকে এভাবে বলা হয়েছে? — মেঘ-বৃষ্টি আর রোদের লুকোচুরি খেলাকে
৩৬. ‘শ্রাবণে’ কবিতায় কোন মাসের প্রকৃতির রূপ প্রধান উপজীব্য? — শ্রাবণ মাসের
৩৭. "ছাদ ফেটে জল পড়ে..." — এর মাধ্যমে গ্রামীণ বা পুরোনো বাড়ির কোন চিত্র ফুটে ওঠে? — বর্ষার অবিরত ধারার তীব্রতা
৩৮. সুকুমার রায়ের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থের নাম কী? — পাগলা দাশু
৩৯. শ্রাবণের বৃষ্টি কতক্ষণ ধরে চলে বলে কবিতায় আভাস দেওয়া হয়েছে? — দিন-রাত একটানা বা দিনযামিনী জুড়ে
৪০. কবি সুকুমার রায় কত সালে মারা যান? — ১৯২৩ সালে (১০ই সেপ্টেম্বর)
৪১. "নিঝুম রাতের..." — বৃষ্টি থামার পর চারপাশের পরিবেশ কেমন হয়? — এক শান্ত ও নিস্তব্ধ রূপ নেয়
৪২. বর্ষার বৃষ্টি ধারা মাটির তপ্ত বুককে কী করে? — শীতল ও শান্ত করে তোলে
৪৩. সুকুমার রায় উচ্চশিক্ষার জন্য কোন দেশে গিয়েছিলেন? — ইংল্যান্ডে (ফটোগ্রাফি ও প্রিন্টিং টেকনোলজি পড়ার জন্য)
৪৪. "ট্যাপ ট্যাপ টুপ টুপ..." — এগুলো বাংলা ব্যাকরণে কী ধরনের শব্দ? — অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ
৪৫. ‘শ্রাবণে’ কবিতাটি পাঠের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রকৃতির কোন রূপ সম্পর্কে জানতে পারে? — ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশের বর্ষা ঋতুর চিরন্তন ও চিরচেনা রূপ
৪৬. বৃষ্টির জলে কোন ফুল ফোটার উৎসব শুরু হয় বলে আমরা জানি? — কদম, কেয়া ও যুথী ফুল
৪৭. "মেঘের কোলে রোদ হেসেছে..." — এটি সুকুমার রায়ের কবিতার কোন মেজাজকে মনে করায়? — প্রকৃতির পরিবর্তনশীল রূপের আনন্দময় মেজাজকে
৪৮. অবিরল ধারায় জল ঝরাকে কবি কার অফুরন্ত ভাণ্ডার বলেছেন? — প্রকৃতির এক অফুরন্ত জলের উৎসব বা ভাণ্ডার
৪৯. সুকুমার রায়ের ছড়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? — শব্দের চমৎকার চমৎকার ছন্দ ও হাসির অন্তরালে গভীর জীবনবোধ
৫০. ‘শ্রাবণে’ কবিতার মূল মেসেজ বা বার্তা কোনটি? — বর্ষা প্রকৃতিকে সতেজ, সজীব এবং নতুন প্রাণের সঞ্চার করে ধুয়ে মুছে সুন্দর করে তোলে