৫০টি এক কথায় উত্তর
১. ‘সেই ছেলেটি’ নাটিকাটির লেখক কে? — মামুনুর রশীদ
২. মামুনুর রশীদ বাংলাদেশের কোন মাধ্যমের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব? — থিয়েটার বা নাট্যমাধ্যম
৩. ‘সেই ছেলেটি’ মূলত কোন ধরনের রচনা? — একটি নাটিকা বা দৃশ্যকাব্য
৪. নাটিকার প্রধান চরিত্র ‘সেই ছেলেটি’র নাম কী? — আরজু
৫. আরজুর কোন ধরনের শারীরিক সমস্যা ছিল? — পায়ে সমস্যা ছিল (সহজে হাঁটতে পারত না)
৬. আরজুর দুই বন্ধুর নাম কী কী? — সোমেন ও সাবু
৭. আরজু ও তার বন্ধুরা প্রতিদিন কোথায় যেত? — স্কুলে যেত
৮. স্কুলে যাওয়ার পথে আরজুর কী হতো? — পা দুটো অবশ হয়ে আসত
৯. আরজু মাঝপথে বসে পড়লে বন্ধুরা কী করত? — তারা আরজুকে ফেলে স্কুলে চলে যেত
১০. আরজুর বন্ধুরা কেন তাকে ফেলে দ্রুত চলে যেত? — স্কুলের ঘণ্টা পড়ে যাওয়ার ভয়ে
১১. আরজু রাস্তার পাশে একা বসে কার সাথে কথা বলত? — তিতির পাখি, মেঘ ও বাতাসের সাথে
১২. আরজুর স্কুলের শিক্ষকের নাম কী ছিল? — লতিফ স্যার
১৩. লতিফ স্যার ক্লাসে এসে কার অনুপস্থিতি লক্ষ্য করলেন? — আরজুর
১৪. সাবু আরজুর দেরি হওয়ার কী কারণ স্যারকে বলেছিল? — আরজু ঠিকমতো হাঁটতে পারে না
১৫. আরজুর মা কেন রোজ কাঁদেন? — আরজুর পা ভালো হচ্ছে না বলে
১৬. লতিফ স্যার আরজুর খোঁজ নিতে ক্লাস ফেলে কোথায় রওনা হলেন? — আইলথারের মাঠে (রাস্তার পাশে)
১৭. লতিফ স্যারের সাথে আর কে কে আরজুকে খুঁজতে গিয়েছিল? — সোমেন ও সাবু
১৮. আরজু একা বসে আকাশে কী দেখছিল? — মেঘেদের ভেসে যাওয়া
১৯. আরজু কেন মেঘকে তাকে কোলে করে নিয়ে যেতে বলেছিল? — যাতে সে সময়মতো স্কুলে পৌঁছাতে পারে
২০. লতিফ স্যার যখন আরজুর কাছে পৌঁছান, তখন আরজু কী করছিল? — কাঁদছিল
২১. আরজুকে আইলথারের মাঠে একা রেখে আইসক্রিমওয়ালা কী করেছিল? — সে তার আইসক্রিম বিক্রি করতে চলে গিয়েছিল
২২. ‘সেই ছেলেটি’ নাটিকায় আমাদের সমাজের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? — বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি অবহেলা ও পরে সহমর্মিতা
২৩. আরজুর কিসের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল? — পড়াশোনা করার ও বন্ধুদের সাথে খেলার
২৪. লতিফ স্যার সোমেন ও সাবুকে আরজুর প্রতি কেমন আচরণ করতে বললেন? — তাকে সাহায্য করতে ও সাথে নিয়ে চলতে
২৫. আরজুর পা দুটো হঠাৎ কেমন হয়ে যেত? — পাথর বা কাঠের মতো শক্ত ও ভারী
২৬. মামুনুর রশীদের জন্ম কত সালে এবং কোথায়? — ১৯৪৮ সালে, টাঙ্গাইলে
২৭. আরজুর বাবার আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল বলে ধারণা করা যায়? — বেশ দরিদ্র (চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না)
২৮. নাটিকাটিতে কোন পাখির ডাক শোনার কথা বলা হয়েছে? — তিতির পাখি ও ঘুঘু পাখি
২৯. লতিফ স্যার সোমেন ও সাবুকে কী ধরনের দায়িত্ব দিলেন? — আরজুকে প্রতিদিন কোলে বা হাত ধরে স্কুলে নিয়ে আসার
৩০. আরজু তার কষ্টের কথা প্রথমে স্যারকে বলতে চায়নি কেন? — লজ্জায় এবং স্যার বকা দেবেন এই ভয়ে
৩১. ‘সেই ছেলেটি’ নাটিকার মূল শিক্ষা কী? — প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া
৩২. আরজু কিসের ব্যথায় রাস্তায় বসে কাঁদছিল? — পায়ের যন্ত্রণায় ও স্কুলে যেতে না পারার ব্যথায়
৩৩. লতিফ স্যার আরজুকে কী বলে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন? — "আমরা সবাই তোমার সাথে আছি, তোমার স্কুল কামাই হবে না।"
৩৪. সোমেন আর সাবুর মনে কখন অনুশোচনা হয়েছিল? — যখন স্যার তাদের আরজুর প্রতি অবহেলার কথা বুঝিয়ে বললেন
৩৫. আরজুর শারীরিক সমস্যাটি আসলে কী ধরনের রোগ হতে পারে? — পোলিও বা কোনো স্নায়বিক রোগ
৩৬. নাটিকার শেষে আরজুকে কে কোলে তুলে নিয়েছিল? — লতিফ স্যার ও তার বন্ধুরা মিলে তাকে সাহায্য করেছিল
৩৭. মামুনুর রশীদ নাট্যচর্চায় অবদানের জন্য কী পদক পেয়েছেন? — একুশে পদক
৩৮. আরজু তার বন্ধুদের কী বলে ডাকছিল যখন তারা চলে যাচ্ছিল? — "একটু দাঁড়াও না ভাইয়া, আমি যে আর হাঁটতে পারছি না!"
৩৯. লতিফ স্যারের কোন গুণটি এই নাটিকায় প্রকাশ পেয়েছে? — আদর্শ শিক্ষক ও পরম মানবিকতা
৪০. আরজুর একাকী বসে থাকা স্থানটির নাম কী ছিল? — তেঁতুলতলা (আইলথারের মাঠের পাশে)
৪১. ‘সেই ছেলেটি’ নাটিকায় কয়টি দৃশ্য রয়েছে? — ৩টি দৃশ্য
৪২. আরজুর চিকিৎসার অভাব কিসের দিকে ইঙ্গিত করে? — আমাদের অসচেতনতা ও গ্রামীণ চিকিৎসার অভাবের প্রতি
৪৩. সাবু কেন আরজুকে অলস ভাবত? — সে আরজুর ভেতরের শারীরিক কষ্টটা প্রথমে বুঝতে পারেনি
৪৪. আরজু প্রকৃতির উপাদানগুলোর সাথে কথা বলত কেন? — একাকিত্ব ও এক অবোঝা কষ্ট ভুলে থাকার জন্য
৪৫. লতিফ স্যার সোমেন ও সাবুকে কোন বোধে দীক্ষিত করলেন? — সহমর্মিতা ও প্রকৃত বন্ধুত্বের বোধে
৪৬. আরজুর জীবনের মূল সম্বল কী ছিল? — তার প্রবল ইচ্ছাশক্তি এবং বন্ধুদের ভালোবাসা
৪৭. নাটিকায় আরজুর সাথে কার দেখা হয়েছিল যে সাহায্য করেনি? — একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ও একজন রাখাল
৪৮. লতিফ স্যার আরজুকে কী বলে আশ্বস্ত করেছিলেন? — তাকে ডাক্তার দেখিয়ে ভালো করার ব্যবস্থা করবেন
৪৯. ‘সেই ছেলেটি’ নাটিকায় প্রকাশিত মানবধর্ম কোনটি? — দুর্বল ও অসহায়কে বুকে টেনে নেওয়া
৫০. নাটিকার সমাপ্তি কেমন ছিল? — অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও মানবিকতার জয় দিয়ে শেষ হয়েছে